বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল মঙ্গলবার সপ্তমীর দিনে ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই শঙ্খধ্বনি শেষে প্রধান পুরোহিত পুলিন ভট্টাচার্য রাজবাটির পাশে শুকসাগরে মঙ্গলঘটে জল ভরে নিয়ে আসেন। মন্দিরে প্রতিমার সামনে মাটি ও কাঁসার বিভিন্ন ঘটে সাজানো হয়েছে ১০৮টি পদ্ম, নারকেল, তিল, ঘি, চন্দন, বেলপাতা, দূর্বাসহ বিভিন্ন উপকরণ।

পূজা উপলক্ষে রাজবাটির প্রধান ফটকের পাশে বসেছে মেলা। দোকানে দেখা মেলে পূজার নানা উপকরণ, কুটির-তাঁতশিল্প ও ছোটদের খেলনা। রয়েছে জিলাপি, মুড়কি, পাঁপড় ভাজাসহ হরেক রকমের মুখরোচক খাবার।

পূজার ঐতিহ্য ধরে রাখা গেলেও আয়োজনে জাঁকজমক নেই বলে মন্তব্য করেন কয়েকজন প্রবীণ। আলাপচারিতায় তাঁরা বলেন, একটা সময় ছিল পূজা উপলক্ষে কীর্তনের আসর হতো। আলোকসজ্জা হতো রানিমহল, হীরামহল, আয়নামহলে। সার্কাস পার্টি, নাগরদোলা, হই-হুল্লোড়ের সেই সব দিন আর নেই।

দিনাজপুর রাজ দেবোত্তর কমিটির এজেন্ট রনজিত কুমার সিংহ বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে গত বছর দেবী দুর্গাকে ভোগ দেওয়া থেকে শুরু করে প্রতিটি আয়োজন ছিল সীমিত। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এরপরও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজার মণ্ডপে আসার জন্য ভক্তদের আহ্বান জানানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন