বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রীকে নিয়ে কাদের মির্জার বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘একজন ভাবি মায়ের মতো। সেই ভাবিকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বক্তব্য রাখা হইছে। এটা কি পৃথিবীর মানুষ দেখে নাই? কোনো বিচার নাই? আমি শুধু একটু বলেছি “ওই (রাজাকার) পরিবারের” লোক। বাহ! আমার সাধারণ সম্পাদকগিরি বাদ! কত দিন আপনি বাদ রাখবেন? রাখেন। মানুষ যখন ঘুরে দাঁড়ায়, মানুষের যখন মাথায়... তখন হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। এখন মানুষ আস্তে আস্তে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য রেডি হচ্ছে।’

কবিরহাটবাসীর উদ্দেশে সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘আমরা কবিরহাটের একজন নেতৃত্ব চাই। আমরা সারা জীবন কি তাঁদের (কাদের পরিবার) গোলামই থাকব? পরিবার একটা পুরো বাংলাদেশ কাঁপাই দিয়েছে। আমাকে প্রধানমন্ত্রী হাত বেঁধে দিয়েছে। উনি আমার কাছে খবর পাঠিয়েছেন। আমি যেন একটা কথাও ওদের বিরুদ্ধে না বলি। আমি বলবও না।’

সাংসদ একরামুল করিম বলেন, ‘আজকে কবিরহাটে আওয়ামী লীগ তিন ভাগে বিভক্ত। নেতৃত্ব যদি ঠিক না থাকে। কবিরহাটের মানুষ কেন যাবে আপনাদের কাছে? খালি এমপিগিরি করার জন্য ঢাকায় বসে থাকলে তো হবে না। আমার এলাকার মানুষ আমাকে দেখলে যে মনঃশক্তি পাবে, তাঁর সংসারেও সে মনঃশক্তিটা কাজে লাগবে।’

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ হারানো সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘আমি শেখ হাসিনার কর্মী। যাঁরা আমাকে সরাইতে চাইছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আপনারাও থাকেন কি না, এটা আমাদের দেখার বিষয়। বেশি বাড়াবাড়ি ভালো নয়। আপনারা ভারপ্রাপ্ত। কয়েকজন ফোন করে বলে, মাইজদীতে এক হাজার লোক হয় নাই। ওবায়দুল কাদেরের কোনো প্রোগ্রামে যদি মাত্র এক হাজার লোক হয়, এটাতো আমাদের জন্যও লজ্জার ব্যাপার!’

বক্তব্যের বিষয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর বাড়িতে বিশেষ কোনো কর্মসূচি ছিল না। ঈদ উপলক্ষে দলের নেতা-কর্মীরা শুভেচ্ছা বিনিময় করতে এসেছিলেন। তাঁদের উদ্দেশে কিছু কথা বলেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন