বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মো. ইজার উদ্দিনের সরকারি মুঠোফোন নম্বর ক্লোন করা হয়। পরে ওই ক্লোন করা নম্বর থেকে মহিমাগঞ্জ ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী রেজওয়ানুর রহমানকে ফোন দেওয়া হয়। এ সময় প্রতারক চক্র রেজওয়ানুরকে বলে, ‘ম্যাজিস্ট্রেট স্যারের সাথে কথা বলেন।’

পরে প্রতারক চক্রের একজন নিজেকে ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে ওই চেয়ারম্যান প্রার্থীকে বলেন, তিনি (ম্যাজিস্ট্রেট) তাঁর ইউনিয়নে নির্বাচনের দায়িত্ব পেয়েছেন। এ জন্য খরচ বাবদ টাকা পাঠাতে বলে ছয়টি মুঠোফোন নম্বর দেন তিনি। পরে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪টি মুঠোফোন নম্বরে বিকাশের মাধ্যমে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা পাঠান। পরে টাকা পেয়েছেন কি না, নিশ্চিত হওয়ার জন্য ওসিকে ফোন করেন চেয়ারম্যান প্রার্থী। এরপর প্রতারণার বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়।

মো. ইজার উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় জিডি করা হয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারক চক্রকে ধরতে চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ইউপি নির্বাচনের সব প্রার্থীকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ফেসবুক পেজেও বিষয়টি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রতারণার শিকার মুন্সি মো. রেজওয়ানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন