বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৭ ডিসেম্বর সকালে সেন্ট মার্টিন বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা উখিয়ার সোনারপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী মো. কায়সার (১৫), জাহিদুল ইসলাম (১৪), মিজানুর রহমান নয়ন (১৪) ও মিজানুর রহমানকে (১৪) অপহরণ করেন। অপহরণের শিকার চার স্কুলছাত্রের বাড়ি রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পেচারদ্বীপের মংলা পাড়ায়। তাদের মধ্যে জাহেদুল ইসলাম দশম এবং অপর তিনজন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

র‍্যাব জানায়, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে অপহরণের শিকার তিন স্কুলছাত্রকে র‍্যাব ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদস্যরা উদ্ধার করেন। এর আগে টেকনাফের মুচনী ক্যাম্পের এইচ-৪ ব্লকের বাসিন্দা নুর সালাম, তাঁর মেয়ে রনজন বিবি ও আরেক রোহিঙ্গা সাদ্দাম মিয়াকে আটক করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চার স্কুলছাত্রকে পাহাড় থেকে উদ্ধার করা হয়।

এর আগে অপহৃত শিক্ষার্থীদের পরিবার জানায়, ৮ ডিসেম্বর রাতে অপরিচিত একটি মুঠোফোন নম্বর থেকে স্বজনদের কাছে ফোন করে চার শিক্ষার্থীর মুক্তিপণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা করে মোট ২০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। মুক্তিপণ না দিলে শিক্ষার্থীদের হত্যা করে লাশ গুম করা হবে বলেও হুমকি দিয়েছিলেন অপহরণকারীরা।

রামু খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সোহেল জানান, পুলিশ ও র‌্যাবের হাতে আটক রোহিঙ্গা সাদ্দাম মিয়া ও জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে চার শিক্ষার্থীকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছিল। মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যেই তাঁরা অপহরণ করেছিলেন।

জাহাঙ্গীর ও ইব্রাহীম কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের পেচারদ্বীপ এলাকার বাতিঘর নামে একটি কটেজের কর্মচারী। জাহাঙ্গীর র‍্যাবের হাতে আটক হলেও ইব্রাহীম আত্মগোপনে বলে জানা গেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন