বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লাবণী পয়েন্টের প্রায় ৬০০ গজ সৈকতকে লাল নিশানা (পতাকা) তুলে দিয়ে ‘সংরক্ষিত এলাকায়’ ভাগ করা হয়েছে। এলাকায় টানানো হয়েছে একাধিক সাইনবোর্ড। সাইনবোর্ডে লাল কালিতে লেখা ‘সংরক্ষিত এলাকা’। নিচে ভিন্ন কালিতে লেখা ‘নারী ও শিশুদের জন্য’। নির্দেশনায় জেলা প্রশাসক, কক্সবাজার ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি, কক্সবাজার।

উদ্বোধনের এক ঘণ্টা পর অর্থাৎ বেলা একটার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, সংরক্ষিত জোনে নারী-শিশু মিলে আছেন মাত্র ৩০ থেকে ৪০ জন। কয়েকজন ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিচ কর্মী তাঁদের দেখভাল করছেন এবং প্রচারণা চালাচ্ছেন।

default-image

নারী-শিশুদের সংরক্ষিত এলাকায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গোল হয়ে বালুতে বসে ছবি তুলছিলেন চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা এলাকা থেকে আসা স্বপন চৌধুরী। তিনি চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী। পৃথক জোনে গোসলে না নেমে বালুচরে বসে আড্ডা দিচ্ছেন কেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একটু পরে নারী-শিশুরা নামবে, আমরা (পুরুষেরা) ততক্ষণ বালুচরে দাঁড়িয়ে থাকব। আবার আমরা (পুরুষ) নামলে নারীরা দাঁড়িয়ে থাকবে।’

দেখা গেছে, ১৭টি বাঁশের মাথায় একটি করে লাল কাপড় বেঁধে ‘সংরক্ষিত এলাকার’ সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা রাতে উধাও হয়ে যেতে পারে বলে সন্দেহ পর্যটকদের। এই এলাকার নিরাপত্তায় আছেন ছয়জন ট্যুরিস্ট পুলিশ ও তিনজন বিচ কর্মী।

নাগরিক সংগঠন ‘সিভিল সোসাইটিজ ফোরাম-কক্সবাজার’–এর সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরী বলেন, এক দশক আগে লাবণী পয়েন্টের একই স্থানে ৩০০ গজের একটি জায়গাকে রশি দিয়ে ঘিরে ‘সুইমিং জোন’ ঘোষণা দিয়েছিলেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক। কয়েক দিন যেতে না যেতেই ওই রশি গায়েব। ‘সুইমিং জোন’ লেখা সাইনবোর্ড ছাড়া সেখানে এখন কিছু নেই। পুরোনো বছরকে ছুটি ও নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে এবার একসঙ্গে দুই লাখের বেশি পর্যটকের সমাগম ঘটতে পারে। তখন এই সংরক্ষিত এলাকা হারিয়ে যাবে বলে তাঁর আশঙ্কা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন