বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে এ রায় দেন কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আলমগীর মোহাম্মদ ফারুকী। সাজাপ্রাপ্ত আসামি পাইঞ্চা জোটিকা শহরের গোলদিঘীরপাড়ের ক্যাংপাড়ার মৃত আহ্লা মং’র ছেলে। রায় ঘোষণার সময় জোটিকা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক উল্লাহ শাহাজাহান নূরী প্রথম আলোকে বলেন, ভিকটিম, বাদী, মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শেষে মংয়েন চিন রাখাইনের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাঁকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ডের রায় দেন।

পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ১৩ জুলাই ভোরে ভিক্ষু মংয়েন চিন রাখাইন পৌরসভার উইমাছারা বৌদ্ধবিহারের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে বিহারের ভিক্ষু উথান্ডিতা মহাথেরকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। সে সময় ভিক্ষু উথান্ডিতা মহাথেরের মাথা ফেটে মারাত্মক জখম হয়। ওই ঘটনায় মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মং সুচি রাখাইন বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। ওই বছরের ২১ নভেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাঈন উদ্দিন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন