বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আটক ৫ জন হলেন রশিদ উল্লাহ (৪২), আমানত করিম (৩৮), সাইফুল ইসলাম (২০), নাছির উদ্দিন (৩৬) ও ছৈয়দুর রহমান (৩২)। তাঁরা চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

র‍্যাব সূত্র জানায়, ইয়াবার একটি বড় চালান মহেশখালী-কক্সবাজার চ্যানেল দিয়ে একটি মাছ ধরার ট্রলারে করে পাচার করা হবে এমন তথ্য পায় র‍্যাব। এই তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গভীর সমুদ্রে র‍্যাব-১৫–এর উপ-অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ তানভীর হাসান ও মেজর শেখ মোহাম্মদ ইউসূফের নেতৃত্বে একটি মাছ ধরার ট্রলারকে চিহ্নিত করা হয়। এরপর ওই ট্রলারকে থামানোর জন্য সংকেত দিলে তারা পালানোর চেষ্টা চালায়। পরে ধাওয়া করে ট্রলারটি নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর তল্লাশি চালিয়ে ৪ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়।

আটক ব্যক্তিদের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে অভিযানসংশ্লিষ্ট র‍্যাব কর্মকর্তারা জানান, স্থলপথে ‘অনিরাপত্তায়’ তাঁরা সমুদ্রপথে কক্সবাজার থেকে দেশের অন্যত্র ইয়াবা পাচার করছিলেন। দীর্ঘদিন তাঁরা এ কারবারের সঙ্গে যুক্ত।

উপ–অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার তানভীর হাসান বলেন, এক সপ্তাহ আগে থেকে ইয়াবা পাচারকারী চক্রের ওপর নজর রাখছিল র‍্যাবে। সেই চক্রের একটি বড় চালান পাচারের খবরে গভীর সমুদ্রে অভিযান চালানো হয়েছে। ওই ট্রলার থেকে ৪ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবাসহ ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন