বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ভোট গ্রহণ শুরু হয় ঠিক সকাল আটটায়। তখন প্রতিটি বুথের সামনে লম্বা সারি। ভোটাররা ব্যালট পেপার হাতে বুথে ঢুকতেই নৌকার একজন প্রতিনিধি সহযোগিতার নামে নৌকায় ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করছিলেন। এ নিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে হইচই হয়। সাড়ে আটটার দিকে শতাধিক নৌকার সমর্থক লাঠিসোঁটা নিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকে পড়েন। পরে ৬ ও ৭ নম্বর বুথে ঢুকে সিল মারতে শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়।

default-image

নৌকায় সিল মারা হচ্ছে, এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাবিবুর রহমানের সমর্থকেরা লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেন। দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হলে ভোটাররা কেন্দ্র থেকে চলে যান। খবর পেয়ে কেন্দ্রটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাফছা নাদিয়া এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। সকাল ১০টার কিছু পর থেকে আবার ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাফছা নাদিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঝামেলার খবর পেয়ে কেন্দ্রে যাই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসি। আমার উপস্থিতিতেই আবার ভোট গ্রহণ শুরু হয়।’

বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সকাল থেকে কেন্দ্র দখলের চেষ্টায় ছিলেন নৌকার সমর্থকেরা। আমরাও প্রতিরোধ করার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। শুধু উত্তর চর পুখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র নয়, অন্য সব কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরে নৌকার সমর্থকেরা প্রভাব বিস্তার করে আছেন। ভোটাররা পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে পারছেন না।’

default-image

অভিযোগের বিষয়ে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী আ. খালেক সরকার বলেন, কেন্দ্রটি থেকে তিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন। এ সত্য বিদ্রোহী হাবিবুর রহমান সমর্থকদের জানা। সে কারণেই পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে স্বাভাবিক ভোট গ্রহণে বাধার সৃষ্টি করেছেন তাঁরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন