বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসিনা বেগমের স্বামী রাসেদুন্নবী বলেন, ‘আমার স্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত ছিলেন। কবিরাজ ছকিনা বেগম আমার প্রতিবেশী আমিনুর ইসলামের বাড়িতে চিকিৎসা দিতে আসতেন। তাঁর বাড়ি নাগেশ্বরী উপজেলার উত্তর ব্যাপারী হাট নামক এলাকায়।’

রাসেদুন্নবী বলেন, ‘আমার স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য ওই কবিরাজের বাড়িতে নেওয়া হয়। তাকে দেখার জন্য একটি ঘরে নেওয়া হয়। এরপর চিকিৎসার নামে কবিরাজ কী করেছে, জানি না। স্ত্রী চিৎকার করতে থাকে। দৌড়ে ঘরে গিয়ে দেখি, স্ত্রীর সারা মুখে ফোসকা উঠেছে। শরীরে মারের দাগ। এলাকাবাসীর সহায়তায় তাকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে বিকেলে তাকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ এস এম সায়েম জানান, হাসনার মুখ ও কানের পাশে ঝলসে গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ এস এম সায়েম আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অ্যাসিডজাতীয় কিছু নারীর মুখমণ্ডলে ছোড়া হয়েছে। শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান, এলাকাবাসী ওই কবিরাজ ও তাঁর সহযোগীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন