বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলায় দীর্ঘদিন পরে বিএনপির এ সমাবেশ ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে একধরনের উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করে। সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয় জেলা বিএনপি। বিভিন্ন উপজেলাসহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী মিছিলসহকারে এসে সমাবেশে জড়ো হন।

default-image

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাবেশে মির্জা আব্বাস বলেন, আজ ৩০ ডিসেম্বর কালো দিবস। এই দিনের নিশিরাতেই এ সরকার ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছিল। কাজেই নিশিরাতের এ সরকারের কাছে কোনো ন্যায়বিচারের আশা করা যায় না। নিশিরাতের এ সরকারের কাছে জনগণের ভোটেরও কোনো মূল্য নেই। জনগণের দাবির কোনো মূল্য নেই।

মির্জা আব্বাস আরও বলেন, এ দেশে জেনারেল আজিজের দণ্ডপ্রাপ্ত দুই ভাইয়ের শাস্তি মওকুফ করা হয়। অথচ দেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসায় বিদেশে যেতে ও মুক্তি দিতে সরকার নানা টালবাহানা করছে আর মৃত্যুর দিন গণনা করছে। খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার আবেদন নিয়ে একেক মন্ত্রী একেক কথা বলছেন। আইনমন্ত্রী বলছেন খালেদা জিয়াকে বিদেশ যেতে হলে আবার জেলে যেতে হবে। অথচ সরকার চাইলে যেকোনো জায়গাকে জেল ঘোষণা করতে পারে।

বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে ‘অগণতান্ত্রিক’ এ সরকারকে টেনেহিঁচড়ে ক্ষমতাচ্যুত করতে হবে উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস আরও বলেন, দেশ আজ ব্যাংক লুট, হল–মার্ক কেলেঙ্কারিসহ নানা দুর্নীতিতে ভরে গেছে। দেশের ৪ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। আজ দেশে আইনের কোনো শাসন নেই। খুন, গুম, রাহাজানিতে দেশ ভরে গেছে। বাংলাদেশে যে বিচারবহির্ভূত হত্যা হচ্ছে, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনও সে রিপোর্ট করেছে।

সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব মো. ফজলুর রহমান, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সাংসদ মো. আক্তারুজ্জামান রঞ্জন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য দেন। সমাবেশটি পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন