default-image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনের সময় বগুড়া শহরের প্রধান কয়েকটি খুচরা বাজার খোলা জায়গায় করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাজার কমিটি ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে জেলা প্রশাসন শহরের কয়েকটি বাজার অন্যত্র সরানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ ১৪ এপ্রিল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বগুড়া শহরের ফতেহ আলী বাজার, রাজাবাজার, চাষীবাজার, রেলওয়ে বাজার, সাতমাথা থেকে সার্কিট হাউস মোড় সড়কে জিলা স্কুল ও শহীদ খোকন পার্কের দুই পাশে এবং সার্কিট হাউসের সামনে থেকে নওয়াববাড়ি সড়কের দুই পাশে কাঁচাবাজার, মাছ, মুরগির দোকান বসেছে।

অন্যদিকে শহরের কালীতলা বাজার আজ থেকে খানিকটা দূরে শহরের কাটনারপাড়া করনেশন ইনস্টিটিউশন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে বসছে। নামাজগড় বাজার বসছে নামাজগড়-সান্তাহার সড়কের দুই পাশে। শহরের খান্দার বাজার নির্ধারিত স্থান থেকে সরিয়ে স্টেডিয়াম ও ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কের সামনে ফাঁকা স্থানে বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। অন্যদিকে সেউজগাড়ী কাল্ল্যার বাজার বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে পাশের আমবাগানের মধ্যে। আর মাটিডালি বাজার বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে মাটিডালি হাইস্কুল মাঠে। অন্যদিকে শহরের ফুলবাড়ি বাজার সাতমাথা-মাটিডালি সড়কের পাশ থেকে সরিয়ে সরকারি আজিজুল হক কলেজের (পুরোনো ভবন) ক্যাম্পাসে বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রাজাবাজার আড়তদার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল প্রসাদ রাজ বলেন, জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ থেকেই পরিবর্তিত স্থানে বাজার বসছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব বাজারের কার্যক্রম চলবে সকাল নয়টা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত।

এদিকে শহরের কালীতলা হাট ও বাজার নির্ধারিত জায়গা থেকে করনেশন ইনস্টিটিউশন মাঠে সরানোর বিরোধিতা করে মাইকিং করায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিমকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে তাঁকে তিন দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে বগুড়া শহরের কালীতলা হাট এলাকায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাছিম রেজা। রেজাউল করিম কালীতলা হাট ও বাজারের ইজারাদার।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন