গ্রেপ্তার দুজনকে আজ বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ওই শিক্ষক ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় শেরপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল মামুনের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। শেরপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বন্দে আলী মিয়া প্রথম আলোকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী কলেজের শিক্ষকের কাছে আইসিটি বিষয়ে প্রাইভেট পড়তেন। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ওই শিক্ষক ছাত্রীকে ফোন করে শেরপুর শহরে তাঁর ভাড়া বাসায় নিয়ে আসেন। পরে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন ওই শিক্ষক। বাসার মালিক ও মালিকের এক বন্ধু ধর্ষণের ঘটনা দেখে ফেলেন। তাঁরা এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করেছেন বলে জানান। ভিডিও ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই শিক্ষককে পাশের কক্ষে রেখে বাসার মালিক ও তাঁর বন্ধুও মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন।

পরে ওই ছাত্রী বাসায় গিয়ে তাঁর এক আত্মীয়ের সহায়তায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ ফোন করে ঘটনার বিস্তারিত জানান। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে শেরপুর সদর থানা ও নকলা থানার পুলিশ। অপর আসামি পলাতক। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বন্দে আলী মিয়া বলেন, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। অন্য আসামিকেও গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন