default-image

নাব্যতা সংকটের কারণে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌপথে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায়ও মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে কোনো ফেরি ছেড়ে যায়নি। তবে সকাল সাতটায় মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে একটি বড় ফেরি শিমুলিয়া ঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। শিমুলিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ বলছে, কাঁঠালবাড়ি ঘাটের ফেরি শিমুলিয়া ঘাটে পৌঁছালে এই পার থেকে ফেরি ছাড়া হবে।

বিজ্ঞাপন

সকাল সোয়া ১০টার দিকে শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, এখন পর্যন্ত এ ঘাট থেকে কোনো ফেরি ছাড়া হয়নি। সকাল সাতটার দিকে কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নামে একটি বড় ফেরি যানবাহন নিয়ে রওনা হয়েছে। ফেরিটি পালের চর হয়ে এ ঘাটের দিকে আসছে। এখনো সেটি মাঝ পথেই আছে। ফেরিটি এ ঘাটে সফলভাবে পৌঁছালে আবারও সেটি শিমুলিয়া থেকে লোড করে পাঠানো হবে।

শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) মো. হিলাল উদ্দিন বলেন, ঘাটে পারাপারের জন্য ৪০টি যানবাহন অপেক্ষায় আছে। নতুন গাড়ি আসার চাপ নেই।
দ্বিতীয় দফায় দুই দিন ফেরি বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নতুন চ্যানেল দিয়ে একটি ফেরি ছেড়ে যায়। দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টা পর ১৪টি মালবাহী ট্রাক নিয়ে ফেরিটি গন্তব্যে পৌঁছায়। মঙ্গলবার রাতে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।

ঘাট ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুই মাসের বেশি সময় ধরেই নাব্যতা সংকটের জন্য ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এমন নাব্যতা সংকট আগে কখনো দেখা যায়নি। এ বছরের মতো এমন ভোগান্তিও হয়নি। নাব্যতা সংকটের কারণে গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফেরি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ ছিল। টানা আট দিন বন্ধ থাকার পর গত শুক্রবার বিকেলে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছিল। চ্যানেল সরু, চর ভাঙন, বন্যার পানির সঙ্গে ময়লা ও পলি এসে প্রচণ্ড নাব্যতা সংকট তৈরি করে। পরে রোববার রাত থেকে আবার ফেরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এদিকে শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রী ও পরিবহন চালকদের আগের মতো হাঁকডাক নেই। তিন নম্বর ঘাটটি ভাঙন আতঙ্কে বন্ধ আছে। পার্কিং ইয়ার্ড যানবাহন শূন্য। তবে এক নম্বর ও দুই নম্বর ঘাটের সংযোগ সড়কে মালবাহী ট্রাক পদ্মা নদী পার হওয়ার অপেক্ষায় আছে। ঘাটে নোঙর করা আছে ফেরিগুলো।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0