বিজ্ঞাপন

বাস আটকে দেওয়ায় যাত্রীরা পুলিশের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ছেন। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত সকাল নয়টায় অনেক যাত্রী গাড়ি থেকে নেমে রাস্তায় বিক্ষোভ করছেন। কিন্তু থানা-পুলিশ তাদের সিদ্ধান্তে অটল।

দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা রাহবার পরিবহনের চালক হাসেম আলী (৪৮) বলেন, ‘আমাদের হয় খাবার দিন, না হয় গাড়ি চালাতে দিন।’ তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘করোনা কি শুধু বাসেই ধরে? সবই খোলা। তাহলে আমাদের পেটে লাথি কেন? ট্রাকে যাত্রী গেলে করোনা ধরে না, বাসে গেলে করোনা ধরে—এটি সরকারের কেমন নীতিকথা!’

মহাসড়কে না গিয়ে আঞ্চলিক সড়কে কেন এলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে আল হেরা পরিবহনের একজন চালক বলেন, ‘ভাবছিলাম, এদিক দিয়ে সহজেই পার হয়ে যেতে পারমু। কিন্তু এখানেও আটকে দিল। গাড়ি না চললে আমরা পরিবার–পরিজন নিয়ে কী খামু?’

default-image

রংপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন আবদুল কাদের (৩৮) নামের এক যাত্রী। তাঁর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘ট্রাকে গাদাগাদি করে মানুষ যাচ্ছে, তখন করোনা ধরবে না, আর আমরা এক আসন করে খালি রেখে বাসে যেতে চাইছি, তাতেই বাধা দিচ্ছে। এটা কেমন নিয়ম! এখন ঢাকায় ফিরতে না পারলে আমার চাকরি চলে যাবে।’

কাজীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পঞ্চনন্দ সরকার প্রথম আলোকে বলেন, ‘সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোনো গণপরিবহনকে আমরা ঢাকার উদ্দেশে কাজীপুর হয়ে যেতে দেব না। ঈদের আগেও আমরা গাড়ি ফেরত পাঠিয়েছিলাম। সব জেনেও বাসের চালকেরা এই সড়কে ঢুকেছে। তাই বাধ্য হয়ে বাসগুলোকে আটকে দেওয়া হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন