বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও নিহত ছাত্রীর স্বজনেরা জানান, সুমাইয়া সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে কোচিং সেন্টারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়। সাড়ে সাতটার দিকে স্থানীয় লোকজন এলেঙ্গা সরকারি শামসুল হক কলেজের বিপরীত পাশে খোকন মিয়ার ভবনের সিঁড়ির নিচে সুমাইয়ার লাশ ও মনির মিয়া (১৭) নামের ওই কিশোরকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে মনিরের স্বজনেরা এসে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

সুমাইয়ার বাবা ফেরদৌস আলমের পৈতৃক বাড়ি কালিহাতীর পালিমা গ্রামে। তবে তিনি এলেঙ্গায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। এ হামলার ঘটনায় আহত মনির মিয়া মশাজান গ্রামের মেহের আলীর ছেলে।

দুপুর ১২টার দিকে সুমাইয়াদের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, তার মা হামিদা বেগম, বাবা ফেরদৌস আলমসহ স্বজনেরা আহাজারি করছেন। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কথা বলছেন তাঁদের সঙ্গে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, তা বুঝে উঠতে পারছে না সুমাইয়ার পরিবার।

এ বিষয়ে কালিহাতী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. শরিফুল হক জানান, সুমাইয়ার ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মনিরও ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছে। তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা রাজিব পাল চৌধুরী জানান, ছুরিকাঘাতে মনিরের পেট থেকে ভুঁড়ি বেরিয়ে পড়েছে। তার গলা, ঘাড় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা ক্ষত আছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, সুমাইয়ার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুমাইয়ার মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন