বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. গোলাম কিবরিয়া এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২১ এপ্রিল বাবুল সপ্তম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৩) অপহরণ করেন। ধর্ষণের ঘটনায় ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে বাবুল মিয়ার নামে সদর থানায় মামলা করেন। মামলার পরপরই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে ওই কিশোরী কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়, ওই মেয়ের বাবা বাবুল। পরে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন ২০১৮ সালের ১২ নভেম্বর বাবুলের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

আদালত গতকাল রায় দেন। পাশাপাশি জন্ম নেওয়া কন্যাসন্তানের ভরণপোষণের জন্য বাবুলের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থেকে অর্থ জোগানের আদেশ দেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি গোলাম কিবরিয়া রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সাখাওয়াতউল্লাহ বলেন, রায়ে যথেষ্ট অসংগতি রয়েছে। তাঁরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন