বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুন রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার একটি বাড়িতে সাধুসঙ্গের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বাউলগানের শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন। গান চলাকালে লোকমান ওরফে রোকমান নামের এক ব্যক্তি ওই বাড়িতে ঢুকে ১৪ বছরের কিশোরীকে যৌন নির্যাতন করেন। এতে শান্তি মিয়া সহযোগিতা করেন। এ ঘটনায় ওই কিশোরী বসতঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। গত ৪ জুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই কিশোরী মারা যায়। মৃত্যুর আগে ওই কিশোরী তার মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যদের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে।

এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় যৌন নির্যাতন ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেন। মামলায় লোকমান ওরফে রোকমানকে প্রধান আসামি ও শান্তি মিয়াকে দুই নম্বর আসামি করা হয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, ঘটনার পর থেকে এজাহারভুক্ত দুই আসামি পলাতক ছিলেন। তথ্যপ্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুজনকেই গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন