রায় ঘোষণার সময় বিচারক জিয়াউর রহমান ভুক্তভোগীর পরিচয় গোপন রাখা বা ছদ্মনাম ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এই মামলায় ভুক্তভোগী কিশোরীকে ‘কল্প’ নামে অভিহিত করা হয়েছে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, আসামি শাকিল মণ্ডল কিশোরীর ছবি সংগ্রহ করে তা অশ্লীলভাবে সম্পাদনা করেন। সেই অশ্লীল ছবি শাকিল তাঁর ফেক ফেসবুক আইডি থেকে ওই কিশোরীর ফেসবুক মেসেঞ্জারে পাঠান। পরবর্তী সময়ে ওই কিশোরীর বাবাকে ফোন করে শাকিল পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে ছবি অনলাইনে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেন।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা বলেন, মামলার পর পুলিশ আসামির নামে অভিযোগপত্র দেয়। এরপর বিচার শুরু হয়। আদালত ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এই মামলার রায় ঘোষণা করলেন। রায়ে আদালত একটি ধারায় আসামিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার এ অর্থ অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। অন্য আরেকটি ধারায় আসামিকে তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার এই অর্থ অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে আসামিকে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন