বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসপাতালে দুই কিশোরীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরের দিন ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মেয়েকে সিলেটে নিয়ে যেতে চান তার মা। কিন্তু সিলেটের কিশোরী কোনোভাবেই যেতে রাজি হচ্ছিল না। ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাকে নিয়ে সিলেটের উদ্দেশে বাসে করে রওনা দেন মা। বাসটি গোবিন্দগঞ্জে পৌঁছালে কিশোরীর জ্ঞান ফেরে। তখন সে বাসের জানালা দিয়ে ঝাঁপিয়ে নিচে পড়ে যায়। এতে তার হাত কেটে যায়। পরে তাকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে সে গাইবান্ধার কিশোরীর বাড়িতে চলে যায়।

এরপর ২৭ ডিসেম্বর মা-মেয়ে সিলেটে ফিরে গেছে। আর ঘটনা জানাজানি হওয়ায় গাইবান্ধার কিশোরীকে নিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন।

এ বিষয়ে আজ বুধবার দুপুরে গাইবান্ধা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবদুর রউফ প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ–সংক্রান্ত পোস্ট দেখেছেন। এ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে দুই কিশোরীর পরিবারের কেউই থানায় অভিযোগ করেননি।

গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র মো. মতলুবর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি তিনি লোকমুখে শুনেছেন। আজ সকালে গাইবান্ধার কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কিশোরীর বাবাকে পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার দিন কিশোরীর বাবা স্থানীয় কাউন্সিলরকে বলেছিলেন, মেয়েটা এমন পাগলামি করবে, তিনি ভাবতেই পারছেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন