বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কুমিল্লা মহানগর পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক অচিন্ত্য দাস টিটু জানান, ১৩ অক্টোবর দুপুরে কুমিল্লা নগরের নানুয়াদিঘির পাড়ে পূজামণ্ডপ থেকে পবিত্র কোরআন শরিফ উদ্ধারের পর এ ঘটনার প্রতিবাদে কিছু বিক্ষুব্ধ উত্তেজিত তরুণ নগরের মনোহরপুর এলাকার রাজ রাজেশ্বরী কালীবাড়ি মন্দিরের পাশ দিয়ে মিছিল করে যাচ্ছিলেন। এ সময়ে মিছিল থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় মন্দিরে। তখন মন্দিরে পূজা-অর্চনায় ছিলেন নগরের রাজগঞ্জ পানপট্টি এলাকার দিলীপ কুমার দাস।

একপর্যায়ে তিনি পূজা-অর্চনা রেখে মন্দিরের প্রধান ফটক বন্ধ করতে যান। তখন মিছিল থেকে ছোড়া ইটের টুকরা তাঁর কপাল ও মাথায় লাগে। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো করা হয়। পরে সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ অক্টোবর রাতে তিনি মারা যান।

দিলীপ কুমার দাস কুমিল্লা নগরের রাজগঞ্জ এলাকার বিষু লাল দাসের ছেলে। এ ঘটনায় ২৪ অক্টোবর রাতে দিলীপের স্ত্রী রূপা রানী দাস বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় সাইফুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ মামলায় এর আগে আরও তিনজন গ্রেপ্তার হন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন