বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নানুয়ার দিঘিতে পবিত্র কোরআন অবমাননার জেরে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিজিবি ও র‍্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া জেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে আর্মড পুলিশ দেওয়া হয়েছে। গতকালের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, পূজামণ্ডপে কে বা কারা পবিত্র কোরআন রেখে এসেছেন, সেটি খোঁজার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে জেলার সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত আছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এ ঘটনার তদন্ত চলছে।

default-image

এদিকে আজ দুপুরে কুমিল্লার কান্দিরপাড় কাত্যায়নী কালীমন্দির, মনোহরপুর রাজেশ্বরী কালীমন্দির, ঠাকুরপাড়া রামকৃষ্ণ মিশন পূজামণ্ডপ ঘুরে লোকজনের উপস্থিতি কম দেখা গেছে। অন্য বছরগুলোর তুলনায় শারদীয় দুর্গাপূজার নবমীর দিনে তেমন কোনো উৎসবের আমেজ দেখা যায়নি। বিক্ষিপ্তভাবে পূজামণ্ডপগুলোতে দু–তিনজন করে আসতে দেখা গেছে।

এদিকে কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন অবমাননাসংক্রান্ত খবরটি খতিয়ে দেখছে সরকার। গতকাল এক তথ্যবিবরণীতে সরকারের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে।

তথ্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন অবমাননাসংক্রান্ত খবরটি সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ঘটনা খতিয়ে দেখার জন্য ইতিমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে যদি কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে, তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইন হাতে তুলে না নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন