স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিংকু ও সুরভি দুই সন্তানকে নিয়ে পৃথিমপাশা ইউনিয়নের রবিরবাজার এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। সুরভি পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মাঠকর্মী। রিংকু দোকান কর্মচারীর কাজ করেন। বিজলী গ্রামের বাড়িতে তাঁরা পাকার ঘর নির্মাণ করছেন। ঈদের ছুটি থাকায় আজ বিকেলের দিকে দুই সন্তানকে নিয়ে তাঁরা কাজ দেখতে যান। এ সময় রিংকু বাড়িতে খনন করা পুকুরের পাড়ে গাছের চারা রোপণ করছিলেন। সুরভি অন্য কাজে ব্যস্ত ছিলেন। একপর্যায়ে রুহিত ও পর্বকে ডাকাডাকি করে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এতে স্বজনদের সন্দেহ হয়। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পুকুরে তাদের লাশ পাওয়া যায়।

ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ঈদের দিনে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুই সন্তান হারিয়ে স্বজনেরা মাতম করছেন।

টিলাগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদুল মালিক রাত সাড়ে নয়টার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, পর্ব পুকুরে নেমে পড়লে রুহিত তাকে রক্ষা করতে গিয়ে দুজনেই ডুবে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের লাশ উদ্ধারের সময় একজনের হাত আরেকজনের হাতে ধরা ছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন