বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ শুক্রবার সকালে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি নদীতে লাশটি ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশকে খবর দেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে পুলিশ সেখানে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। অর্ধগলিত দেহ থেকে বিকট দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। এ ছাড়া মুখের ভেতরের জিব বের করা ছিল। উদ্ধারের সময় একটি পলিথিনে মোড়ানো ব‍্যাগে স্মার্টফোন ও মানিব্যাগ পেয়েছে পুলিশ। মানিব্যাগে ভারতীয় ঠিকানার একজন আইনজীবীসহ কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভিজিটিং কার্ড, দুটি ভারতীয় মুঠোফোনের সিম কার্ড পাওয়া গেছে। লাশের সঙ্গে পাওয়া কার্ডগুলো দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লাশটি কোনো ভারতীয় নাগরিকের।

যোগাযোগ করলে বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিল্লোল রায় প্রথম আলোকে বলেন, কুশিয়ারা নদীতে ভাসমান অবস্থায় একটি লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় লাশটি উদ্ধার করে। লাশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

লাশটি কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের নয় জানিয়ে ওসি আরও বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি, লাশটি কোনো ভারতীয় নাগরিকের। কুশিয়ারা নদীর সংযোগ ভারতের সঙ্গে থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, লাশটি ভেসে এখানে এসেছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন