বিজ্ঞাপন

ডেপুটি কিউরেটর শাহাদাত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা বাচ্চা ফোটানোর উদ্দেশ্যে অজগরের ৩১টি ডিম সংগ্রহ করে ইনকিউবেটরে রাখেন। ৬৭ দিন রাখার পর গত ২২ জুন ২৮টি ডিম থেকে বাচ্চা ফোটে। আজ বুধবার সেগুলো ইকোপার্কের জঙ্গলে অবমুক্ত করা হয়। ছাড়ার সময় বাচ্চাগুলোর দৈর্ঘ্য ছিল ২ ফুট করে।

শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, ২০১৯ সালে ফোটানো বাচ্চাগুলো সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারি ইউনিয়নের গহিন পাহাড়ে অবমুক্ত করা হয়। ভবিষ্যতেও এভাবে অজগরের বাচ্চা ফুটিয়ে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করার পরিকল্পনা আছে।

সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্কের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলমগীর বলেন, অজগরের বাচ্চাগুলো পার্কের ফটক থেকে এক কিলোমিটার দূরে সুপ্তধারা ঝরনার কাছে ছড়ায় অবমুক্ত করা হয়। অজগরের বাচ্চাগুলোর বেঁচে থাকার জন্য খাবারের তেমন অভাব হবে না বলে জানান তিনি।

এ ঘটনাকে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার সাফল্য উল্লেখ করে সদস্যসচিব রুহুল আমিন বলেন, মানুষের উপদ্রব নেই, এমন স্থানে অজগরের বাচ্চাগুলো অবমুক্ত করা হয়েছে। বাচ্চাগুলো নিজেরা শিকার করতে শুরু করেছে। কিছু বাচ্চা অন্য জন্তুর শিকারও হতে পারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন