বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার চুয়াডাঙ্গার দর্শনাসহ তিনটি বন্দর ১৬ মে খুলে দেয়। ১৭ মে থেকে আজ ২৭ মে পর্যন্ত ১১ দিনে মোট ৬৯৩ জন দর্শনা বন্দর হয়ে ভারত থেকে দেশে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে ৪১৯ জনকে চুয়াডাঙ্গার সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ডরমিটরি, নার্সিং ইনস্টিটিউট, ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল এবং শহরের ড্রিম গার্ডেন, শয়ন বিলাস ও ভিআইপি হোটেলে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। স্থান সংকুলান না হওয়ায় বাকি ব্যক্তিদের ঝিনাইদহ, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া জেলায় কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

১৭ মে কোয়ারেন্টিন চালুর পর প্রায় শুরু থেকেই প্রশাসনিক ব্যবস্থায় শহরের তিনটি খাবার হোটেল থেকে কোয়ারেন্টিনে থাকা যাত্রীদের খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। ১৪ দিনের খাবার বাবদ প্রত্যেকের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা জমা রাখা হয়েছে।

হঠাৎ গত বুধবার রাতে টিটিসিতে কোয়ারেন্টিনে থাকা ১০-১১ জন অভিযোগ করেন, মেহমান হোটেল থেকে তাঁদের জন্য পচা ও নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। অভিযোগ শুনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীনের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা সরেজমিনে গেলে ভুক্তভোগীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পান। এরপর মনিরা পারভীন জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির আশ্বাস দিলে তাঁরা শান্ত হন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল ভ্রাম্যমাণ আদালত হোটেল মেহমানে অভিযান চালান এবং সেটি সিলগালা করে দেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম সরকার জানান, কোয়ারেন্টিনে যাঁরা আছেন, তাঁরা কেউ অপরাধী নন। দেশের মানুষের বৃহৎ স্বার্থে তাঁরা কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। তাঁদের প্রতি অমানবিক আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন