বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খুলনা আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মো. আমিরুল আজাদ বলেন, ‘জাওয়াদের কারণে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে ঘন মেঘপুঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তবে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে। আগামীকাল সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিলতে পারে।’

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল ছয়টা থেকে আজ সোমবার সকাল নয়টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় বৃষ্টি হয়েছে ২৫ মিলিমিটার। এদিকে আজ সকাল ছয়টা থেকে নয়টা পর্যন্ত ১৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর খুলনায় ৯৩ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান রোপন করা হয়েছিল। এর মধ্যে মাত্র ২৫ শতাংশ ধান কাটা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৩০ ভাগ ধান পেকে গেছে। আর বাকি ধানে কেবল শিষ আসতে শুরু করেছে। জেলার মধ্যে দাকোপ, বটিয়াঘাটা, কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ধান আছে।

বটিয়াঘাটার গঙ্গারামপুর গ্রামের কৃষক দেবপ্রসাদ সরকার এবার আট বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছেন। তিনি বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার আমনের ফলন ভালো হয়েছিল। কিন্তু গত দুই দিনের বৃষ্টি দেখে সব কৃষকের হাসি মলিন হতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে তাঁর ২০ ভাগ ধান ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানান তিনি। বৃষ্টির সঙ্গে বাতাসের কারণে তাঁর খেতের সব ধানগাছ হেলে পড়েছে।

দাকোপের কামারখোলা গ্রামের টুটুল ইসলাম বলেন, আমন মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টির ধান লাগাতে দেরি হয়েছে। তবে ধান তুলনামূলক অনেক ভালো হয়েছিল। ধান কাটার সময়ে আবার বৃষ্টি শুরু হলো। এখন কতটুকু ধান ঘরে তুলতে পারবেন সেটি নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।

খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, অসময়ের এই বৃষ্টি সবাইকে চিন্তিত করে তুলেছে। বৃষ্টির কারণে ধানের শিষকাটা পোকার আক্রমণ হতে পারে। এ ছাড়া জমিতে পানি জমে থাকায় পরবর্তী ফসল উৎপাদনও বাধাগ্রস্ত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন