বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শাহজাহান শেখ জানান, গতকাল রাতেই কেএমপির খালিশপুর অঞ্চলের সহকারী কমিশনার (এসি) হুমায়ুন কবিরকে এ ঘটনার তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ভুক্তভোগী ওই নারীর প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা শেষে পরিবারের হেফাজতে তাঁকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মেয়ে ও ভাগনেকে নিয়ে মঙ্গলবার খুলনায় চিকিৎসক দেখাতে আসেন ওই গৃহবধূ (২৮)। কিন্তু ওই দিন আর সিরিয়াল পাননি তিনি। রাতে হোটেলে থেকে পরদিন চিকিৎসক দেখিয়ে বাড়িতে ফেরার কথা ভেবেছিলেন। তাই মেয়ে (১১) ও ভাগনেকে (২৬) নিয়ে খুলনা নগরের লোয়ার যশোর রোডের সুন্দরবন আবাসিক হোটেলে ওঠেন তাঁরা। গভীর রাতে হোটেলকক্ষ চেকের নামে সেখানে ঢুকে মেয়ের সামনে মাকে ধর্ষণ করেন এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম।

পরে গৃহবধূর ভাগনে বিষয়টি হোটেলমালিককে জানালে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হওয়ার পর আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। বুধবার বিকেলে খুলনা সদর থানায় ওই মামলা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন