প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ২৪ ঘণ্টায় আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে ১ হাজার ৮৬৫টি, জিন এক্সপার্টে ৬টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ৩৯৩টিসহ মোট ২ হাজার ২৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আগের দিনের চেয়ে ২ হাজার ৫৫২টি নমুনা কম পরীক্ষা হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৪ দশমিক ১ শতাংশ। আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ছিল ৩৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

বিভাগে করোনা শনাক্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার ৯৫৯ জন। করোনা সংক্রমিত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৩৩ জন। মৃত্যুর হার ২ দশমিক ১৯ শতাংশ। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৫ হাজার ২৫২ জন। সুস্থতার হার প্রায় ৬৫ শতাংশ। গত বছরের ১৯ মার্চ বিভাগের চুয়াডাঙ্গায় প্রথম করোনা শনাক্ত হয়।

বিভাগে মোট শনাক্ত রোগী থেকে সুস্থ ও মৃতের সংখ্যা বাদ দিলে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ১৭৪ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১ হাজার ২৮২ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, করোনায় মারা যাওয়া সর্বশেষ ৪৬ জনের মধ্যে কুষ্টিয়ার ১৮ জন, খুলনা ও যশোরে ১০ জন করে, ঝিনাইদহে ৪ জন, মেহেরপুর ও নড়াইলে ২ জন করে রয়েছেন।

বিভাগে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ১ হাজার ৫৩৩ জনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪০২ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনায়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে কুষ্টিয়ায় ৩২৮ জনের। এ ছাড়া যশোরে ২১২, ঝিনাইদহে ১৩২, চুয়াডাঙ্গায় ১১৫, বাগেরহাটে ৯৮, সাতক্ষীরায় ৭৬, মেহেরপুরে ৭৫, নড়াইলে ৬০ ও মাগুরায় ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যশোরে শনাক্ত হয়েছে সর্বোচ্চ ২৫১ জন। এ ছাড়া খুলনায় ১৬১, বাগেরহাটে ১২, সাতক্ষীরায় ৩৭, নড়াইলে ৩১, মাগুরায় ২৫, ঝিনাইদহে ৩১, কুষ্টিয়ায় ১৭৬, চুয়াডাঙ্গায় ৭ ও মেহেরপুরে ৪১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।