বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম ধাপে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে ৭৮০ ফুট দীর্ঘ ওয়াকওয়ে হচ্ছে। এই ৭৮০ ফুট অংশে পড়েছে ২২টি গাছ। এর মধ্যে দুটি গাছ ওয়াকওয়ের মধ্যে পড়েছে। সেগুলো অক্ষত রাখা হবে। আর বাকি গাছ রক্ষায় ওয়াকওয়ে কিছুটা বাঁকানো হয়েছে। এতে ওয়াকওয়ের পুরোটা বৃক্ষছায়ার মধ্যে পড়েছে।

নির্মাণ তদারককারী সিটি করপোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ওয়াকওয়ে প্রকল্পের কাজ শুরুর আগে অপরিকল্পিতভাবে লাগানো গাছ কাটার সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু গাছগুলো কাটা হলে ওয়াকওয়েতে কোনো ছায়া থাকবে না বলে প্রকৌশল বিভাগ যোগাযোগ করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগে। ছড়ার তীর পরিদর্শন করে স্থপতি শুভজিৎ চৌধুরী গাছগুলো বাঁচিয়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণের নতুন নকশা দেন। এই নকশাতেই তৈরি হচ্ছে এখন ওয়াকওয়ে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেটের সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম চৌধুরী বলেন, এর আগে সিটি করপোরেশনের অনেক উন্নয়নকাজে বৃক্ষনিধন হয়েছে। এ নিয়ে নাগরিক প্রতিবাদও হয়েছে। ইচ্ছা থাকলে যে উপায় হয়, তারই একটি দৃষ্টান্ত এ ওয়াকওয়ে প্রকল্প।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন