বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরে সেখানে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারায় থানা-পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে এসে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একই সময়ে কর্তৃপক্ষ গণটিকা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা দেন।

আনসার সদস্য মঞ্জুরুল রহমান বলেন, ‘আমরা সকাল থেকে এখানে দায়িত্বে আছি। হাসপাতালের যাঁরা টিকার সিরিয়াল নিচ্ছিলেন, হাতাহাতি শুরু হলে তাঁরাও এখান থেকে সরে যান।’ এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, এটি তাদের দায়িত্ব না, সিভিল সার্জন ও সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব। তবে এসব বলে তো সাধারণ মানুষকে বোঝানো যাচ্ছে না।’

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের হারিনাল এলাকায় আসমা খাতুন (৫০) দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেওয়ার জন্য সকাল সাতটায় কেন্দ্রে আসেন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে নিরাশ হয়ে ফিরে গেছেন তিনি। আসমা খাতুনের মতো অনেকেই টিকা না পেয়ে ফিরে গেছেন।

default-image

নলজানি এলাকার আফজাল হোসেন বলেন, ‘ভোর সাড়ে ছয়টা থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখন বলছে টিকা দেবে না। এখন আমরা কী করব, কর্তৃপক্ষ কিছুই বলছে না। আমরা চাকরি করি। কিন্তু আমাদের আবার ছুটি নিয়ে আসা কষ্টকর।’

জানতে চাইলে সিভিল সার্জন মো. খায়রুজ্জামান বলেন, গণটিকা দেওয়ার জন্য এসএমএস পাঠানো হয়েছে। এখানে অনেক কেন্দ্র আছে। কিন্তু টিকাপ্রত্যাশীরা তাঁদের নির্ধারিত কেন্দ্রে না গিয়ে বিপুলসংখক লোক শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কেন্দ্রে গেছেন। এতে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশের সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে। শনিবার থেকে এই কেন্দ্র আবার টিকাদান শুরু হবে বলে জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন