অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জয়া মারিয়া পেরেরা। অনুষ্ঠানের শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সংগীতের যে অপরিসীম শক্তি, তা আমাদের সব সময় প্রেরণা জোগায়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে প্রেরণা যুগিয়েছে সংগীত। “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি” গানটি শুনলে এখনো শিহরণ লাগে। মুক্তিযুদ্ধে আমাদের যাঁদের মন ক্লান্ত হতো, এই গানগুলো তাঁদের শক্তি দিত। সংগীতের এই শক্তি সব ক্ষেত্রেই আছে। স্কুলে জাতীয় সংগীতে যখন সবাই একসঙ্গে গেয়ে ওঠে, “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি” তখন শিশুমনে দেশপ্রেম জাগ্রত হয়।’

রজনীকান্ত সেনের সংগীতে উদ্বোধনের পর শিল্পী কনক নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন। এরপর রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে আসেন শিল্পী সাথী। এরপর একে একে লালন, হাসন রাজার গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা। সবশেষে সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হলো ‘শোনো একটি মুজিবরের থেকে লক্ষ মুজিবরের কণ্ঠ’। অনুষ্ঠানে কনক ও সাথী ছাড়াও সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী বিবাগী সাজু, মোনালিসা, জেসমিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন নুসরাত শারমিন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন