বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রওনক জাহান প্রথম আলোকে বলেন, কালাইহাটা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হলেও নৌকার প্রার্থীর সমর্থকেরা গণনায় বাধা দেন। অন্য কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে তাঁরা ভোটের ফলাফল ঘোষণা করতে বলেন। এতে আপত্তি জানালে নৌকার প্রার্থী ইউনুছ আলী ফকিরের সমর্থকেরা ভোটকেন্দ্রে হামলা চালান। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নৌকার কর্মী-সমর্থকদের সংঘর্ষ বাধে। নৌকার কর্মী-সমর্থকেরা ইউএনওর গাড়ি ছাড়াও পুলিশ ও বিজিবির মোট চারটি গাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেন। হামলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বে থাকা শাজাহানপুরের ইউএনও আসিফ আহমেদ ছাড়াও বিজিবি-পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছেন।

গুলিতে নিহত চারজন হলেন, কুলসুম বেগম (৩৫), খোরশেদ আলী (৭০), আবদুর রশিদ (৪৮) ও আলমগীর (৪০)। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আলী হায়দার চৌধুরী ঘটনাস্থল থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইউএনও রওনক জাহান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুলি ছুড়তে বাধ্য হয়। তবে কতজন হতাহত হয়েছেন, তা নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।

শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক আবদুল ওয়াদুদ প্রথম আলোকে বলেন, রাতে গুলিবিদ্ধ দুজনকে আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন আবদুল (৪০) এবং রাকিব (১৬)।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন