বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুঞ্জির লোকজন আরও বলেন, শুক্রবার বেলা দুইটার দিকে পুঞ্জির বাসিন্দা রানী মারলিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন। ফটক দিয়ে গাড়ি ঢুকতে না দেওয়ায় স্বজনেরা প্রথমে একটি ছোট খাটের ওপর তাঁকে শুইয়ে দড়ি দিয়ে এটি শক্ত করে বাঁধেন। এরপর বাঁশের সহায়তায় খাটটি কাঁধে বহন করে চা-বাগানের ফটক পর্যন্ত নিয়ে যান। রানী মারলিয়া কুলাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

পুঞ্জিপ্রধান রানা সুরং সন্ধ্যায় মুঠোফোনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঝিমাই বাগানের কর্মকর্তারা তাঁদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করে যাচ্ছেন। বর্ষায় কাঁচা রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। তখন চলাচলে আরও দুর্ভোগ পোহাতে হয়। রানা আরও বলেন, দুর্ভোগ লাঘবে তাঁরা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সম্প্রতি বিষয়টি সমাধানের জন্য মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ঝিমাই বাগানের ব্যবস্থাপক মনির হোসেনের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ টি এম ফরহাদ চৌধুরী সন্ধ্যায় মুঠোফোনে বলেন, তিনি সরকারি কাজে জেলা সদরে রয়েছেন। এ বিষয়ে তাঁকে কেউ কিছু জানাননি। খোঁজ নিয়ে দেখবেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য দ্রুত বাগান কর্তৃপক্ষ ও পুঞ্জির লোকজনকে নিয়ে বসবেন বলেও জানিয়েছেন ইউএনও।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন