বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর খালিদ ফকির মুঠোফোনে কল করে জাহিদুল ইসলামকে জেলা শহরের কাচাঁ বাজারসংলগ্ন মেইন রোডে আসতে বলেন। অটোরিকশাচালক জাহিদুল ইসলাম সেখানে যায়। এর পর থেকে জাহিদুল নিখোঁজ হন। পরে ৩০ সেপ্টেম্বর পুলিশ কাশিয়ানী উপজেলার ভুলবাড়ীয়া ব্রিজ এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর নিহত জাহিদুলের বাবা মো. নজরুল মোল্লা বাদী হয়ে খালিদ ফকির ও রাজ্জাক মোল্লার নাম উল্লেখ করে এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে ২০১৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। শুনানি শেষে আদালত আজ ওই রায় দেন।

আদালতে সরকারপক্ষের সহকারী কৌঁসুলি মো. শহিদুজ্জামান খান পিটু ও আসামিপক্ষের কৌঁসুলি মো. ফজলুল রহমান খান মামলাটি পরিচালনা করেন।

মামলার বাদী ও নিহত জাহিদুলের বাবা মো. নজরুল মোল্লা বলেন, ‘আমার ছেলেকে ওই পাঁচজনে হত্যা করেছে। রায়ে আমি ও আমার পরিবার খুশি। দ্রুত এই রায় কার্যকর করা হোক। কেউ যাতে আর এ ধরনের কাজ করতে সাহস না পায় এবং কেউ যেন তার সন্তানকে এভাবে না হারায়।’

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মোক্তার আলী বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে পরিবারটি ন্যায়বিচার পেয়েছে। আশা করা হচ্ছে, উচ্চ আদালত এই রায় বহাল থাকবে এবং রায় কার্যকর হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন