মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে হারাগাছ থানার পুলিশ জানায়, গৃহবধূর গোসলের ভিডিও গোপনে ধারণ করেন আরিফুল। এরপর সেই ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ওই গৃহবধূর কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। ওই গৃহবধূ আরিফুলকে ৪০ হাজার টাকা দেন। কিছুদিন পর আবার ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৬০ হাজার টাকা আদায় করেন আরিফুল। ৯ এপ্রিল গৃহবধূর বাড়িতে ঢুকে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন আরিফুল। টাকা দিতে না পারায় গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার কথা বলে কালক্ষেপণ করা হয়। পরে গৃহবধূ ১৩ জুন রাতে আরিফুলের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি আইনে হারাগাছ থানায় মামলা করেন।

সহকারী পুলিশ কমিশনার আল ইমরান হোসেন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর থানা এলাকা থেকে আরিফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।