বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অগ্নিকাণ্ডে বন্দরের বাদশা খলিফার লেপ-তোশকের দোকান, অমল সাহা ও নজরুল ইসলামের হার্ডওয়্যার দোকান, মো. তারেক হোসেন, বিভূতিরঞ্জন, বারেক হাওলাদার ও দুলালের মুদিদোকান, সেকেন্দার বয়াতির টিনের আড়ত, ফজলু ঘরামি, মা মেডিকেল হলসহ ১০টি দোকান পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। আংশিক পুড়েছে অপর দুটি দোকান।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকার বেশি বলে জানিয়েছেন গৌরনদী বন্দর বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ভোলা সাহা।

গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ বিপুল হোসেন বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে গৌরনদী ও উজিরপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে।

তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকারও বেশি। আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী অরিফুর রহমান, সাব্বির মোল্লা, আবদুস সালাম, সাবেক পৌর কাউন্সিলর রেজাউল করিম, ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম, দুলাল, বাদশা খলিফাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন