বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই মামলা দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত চলার পর শাহ আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পরে আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মুনশী আবদুল মজিদ মামলার রায় দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি মাহমুদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, একটি ধারায় আদালত আসামি শাহ আলমকে ১০ বছরের কারাদণ্ড, ৫ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেন। আরেকটি ধারায় তাঁকে ৫ বছরের কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। শাহ আলম জামিন পেয়ে বর্তমানে পলাতক।

মাহমুদুল হক আরও বলেন, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় সোনালী ব্যাংকের একটি শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে থাকাকালে শাহ আলম এক গ্রাহকের ঋণ বাবদ পরিশোধকৃত ৯০ হাজার ৫১৩ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। ওই ঘটনায় ১৯৯২ সালে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়। দীর্ঘ ৩০ বছর পর আট সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত মামলার রায় দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন