বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বক্তারা বলেন, ভোটে হেরে যাওয়ায় রাতে সদস্য প্রার্থী মোস্তাজুল ইসলামের (ফুটবল) লোকেরা কেন্দ্রে হামলা, গাড়ি ভাঙচুর, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কাজে বাধা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের আটক করে তাণ্ডব চালান। অথচ পুলিশ প্রকৃত দোষীদের না ধরে গ্রামের নিরীহ মানুষকে হয়রানি করছে।

হামলার অভিযোগের বিষয়ে গতকাল বিকেল মুঠোফোনে তিনবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোস্তাজুল ইসলাম ফোন ধরেননি।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ গুড়িপাড়া গ্রামের রিয়াজুল ইসলামকে (৫৪) গ্রেপ্তার করে। এ নিয়ে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রিয়াজুল নির্দোষ। তাঁকে গ্রেপ্তার ছাড়াও পুলিশ রাতে গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিরীহ মানুষকে ধাওয়া করে।

কর্মসূচি পালনকারীদের অভিযোগের বিষয়ে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নির্দোষ ব্যক্তির কোনো ভয় নেই। পুলিশ যাচাই না করে কোনো আসামি ধরছে না। তদন্ত করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

গত ২৮ নভেম্বর উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন রাতে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যপদের ফল ঘোষণার পর ইন্দ্রইল-শিববাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে নির্বাচনী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর উত্তেজিত জনগণ হামলা চালায়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন