বেলাল আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সড়কের পাশে ছিলাম বলে কেউ আমাদের খোঁজ নেয়নি। তিন দিন ধরে শুকনা খাবার খেয়ে থেকেছি। রান্না করার মতো চুলা কিংবা কাঠ ছিল না। বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে জোগাড় করারও ব্যবস্থা ছিল না।’

ট্রাকটির ওপরে তেরপল টাঙিয়ে পানি রোধের ব্যবস্থা করা হয়। সঙ্গে বাঁশ বেঁধে কিছুটা উঁচু করা হয়েছে। রোববার সকালে বৃষ্টি না থাকায় চারটি হাঁস রাখা ছিল সড়কের পাশে। ট্রাকের ওপরে একটি মুরগি চাল ভেঙে খাচ্ছিল, খাঁচায় বন্দী একটি শালিক পাখি। ট্রাকের চালক ও সহকারীর আসনে বসে ভাত খাচ্ছিলেন শাহজাহান, তাঁর স্ত্রী ও ছোট ভাই বেলাল।

ভাত খেতে খেতে শাহজাহান বলেন, ঘরের মালামাল কিছুই আনেননি। কোনোরকমে ঘরের মধ্যে খাটের ওপর মালপত্র রেখে তালা মেরে বের হয়েছেন। এখনো বাড়িতে যাওয়া হয়নি তাঁর। মালপত্র ঘরের ভেতরেই আছে। এ জন্য এলাকা ছেড়ে যেতে পারছেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন