বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেকান্দারের ভাতিজি তাহমিনা আক্তার বলেন, ‘চাচার সঙ্গে চাচির প্রায়ই ঝগড়া হতো। করোনার মধ্যে তাঁদের সমস্যা আরও বেড়ে যায়। চাচা অনেক সময় অস্বাভাবিক আচরণ করতেন। কিন্তু এভাবে চাচিকে হত্যা করবেন, তা ভাবতে পারিনি।’

নিহত রিনা বেগমের ভাই সোহাগ সরদার বলেন, ‘২২ বছর আগে বোনের বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পর থেকেই তাঁদের সংসারে অভাব-অনটন চলছে। বিভিন্ন সময় তাদের সাহায্য করতাম। কিন্তু সে এভাবে বোনকে কুপিয়ে মেরে ফেলবে, বুঝতে পারিনি। আমরা তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করব।’

ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, পরিবারে অভাব-অনটন থাকায় স্বামী-স্ত্রীর কলহ চলছিল। বেশ কিছুদিন ধরে সেকান্দার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। রোববার ভোরে রিনা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে সেকান্দার পালিয়ে যান। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন