বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাদীর আইনজীবী রুবেল পাল প্রথম আলোকে বলেন, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে করা মামলাটি তদন্তের জন্য আদালত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আরজিতে বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ওই তরুণীর বাসায় গৃহশিক্ষক ছিলেন তাওহিদুল ইসলাম। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাঁরা বিয়ে করেন। তবে নিবন্ধন করেননি। একপর্যায়ে তাওহিদুল পুলিশের এসআই পদে চাকরি পান। ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল সারদা পুলিশ একাডেমিতে বহিরাগত ক্যাডেট এসআইয়ের প্রশিক্ষণে যাওয়ার আগপর্যন্ত তাঁরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে চলাফেরা করেন। সারদায় প্রশিক্ষণে যাওয়ার পর এক বছর তাঁদের মধ্যে মুঠোফোনে যোগাযোগ ছিল। কিন্তু ২০২১ সালের ৯ জুলাই প্রশিক্ষণ শেষে এসআই হিসেবে যোগদানের পর থেকে বিয়ের হলফনামা সম্পাদন থেকে শুরু করে সব সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে আসছেন তিনি।

ওই কলেজছাত্রীর গৃহশিক্ষক থাকার কথা স্বীকার করে শিক্ষানবিশ এসআই তাওহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর সঙ্গে অন্য কোনো সম্পর্ক ছিল না। ষড়যন্ত্র করে তাঁকে মামলায় জড়ানো হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন