বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দুপুর ১২টায় পুলিশ এসে মানববন্ধন পণ্ড করে দেয়। সেখান থেকে ছাত্র ফেডারেশন চট্টগ্রাম নগরের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুর রুদ্র, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট চট্টগ্রাম নগরের সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাজ উদ্দিন, পটিয়া সরকারি কলেজের ছাত্র জাহিদুল রাফি ও শিক্ষার্থী জামশেদুল হককে পুলিশ নিয়ে যায়।

পরে পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বেলা আড়াইটায় নগরের নিউমার্কেট মোড়ে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। সেখানে সমাবেশ শুরু হয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, সমাবেশের মাঝপথে পুলিশ আবার বাধা দেয়। একপর্যায়ে ছাত্রনেতাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ঋজু লক্ষ্মীসহ আরও পাঁচজন আহত হন।

ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট চট্টগ্রাম নগরের সভাপতি রায়হান উদ্দিন ও পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির। তাঁরা বলেন, মুচলেকা দিয়ে চারজনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। লাঠিপেটার ঘটনা ঘটেনি।

রায়হান উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্র ফ্রন্টসহ কয়েকটি বাম সংগঠন মিছিল বের করে। শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। কিন্তু হঠাৎ পুলিশ এসে অনুমতির কথা বলে বাধা দেয়। লাঠিপেটা করে। চারজনকে থানায় নিয়ে যায়। পরে ছেড়েও দেয়।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের বিবৃতি

মানববন্ধন ও সমাবেশে পুলিশের ‘হামলার’ প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট চট্টগ্রাম নগর ও বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি। বিবৃতিতে নেতা-কর্মীরা বলেছেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশের হামলায় অন্তত ১০ নেতা-কর্মী ও শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। কর্মসূচি থেকে চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ ছাড়া শান্তিপূর্ণ ছাত্র সমাবেশে পুলিশের ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে নিউমার্কেট মোড়ে দাঁড়ালে, সেখানেও পুলিশ হামলা চালায়। এটি নিন্দনীয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন