বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার বোর্ডবাজারে মাটি কাটা ও ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ে মো. জুয়েল ও মো. ফোরকান নামের দুজনের মধ্যে তর্ক ও হাতাহাতি হয়। ওই সময় মো. মুরাদ দুজনের ঝগড়া থামাতে গিয়ে আঘাত পান। এ ঘটনার রেশ ধরে রাত সাড়ে ১০টায় যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলামসহ কয়েকজনের হাতে ছুরিকাঘাতে মুরাদ নিহত হন বলে অভিযোগ।

এদিকে ঘটনার পরদিন মুরাদের মা রাবিয়া বসরী বাদী হয়ে সাইফুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখ ও সাত-আটজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন।

কর্ণফুলী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম হক বলেন, সাইফুল ইসলামের বিগত দিনের কর্মকাণ্ড ও একটি হত্যা মামলায় আসামি হওয়ায় উপজেলার সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে তাঁকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে।

কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ বলেন, মুরাদ হত্যা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন