বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, এ দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয় থেকে গত ২৯ নভেম্বর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধি ভঙ্গ করে পাঁচটি অটো ভোল্টেজ রেগুলেটর কেনার ঘটনা প্রমাণিত হওয়ায় দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের আলোকে দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয় চিঠিতে। এর পরপরই দুই কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়ে সাময়িক বরখাস্ত করে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বন্দর কর্তৃপক্ষের আদেশে বলা হয়, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জনতা এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে যোগসাজশ করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে ওই সব রেগুলেটর কিনতে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এতে ক্রয়সংক্রান্ত সরকারি বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে। এ বিধি ভঙ্গের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন ২০১৩ সালের ২৩ অক্টোবর বন্দর থানায় মামলা করে। পরে তদন্তে উন্মুক্ত দরপত্রের পরিবর্তে সীমিত দরপত্র পদ্ধতিতে ক্রয়ের কাজ সম্পন্ন করার বিষয়টি প্রমাণিত হয় বলে দুদকের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জানা গেছে, অনিয়মের বিষয়ে দুই কর্মকর্তার কাছে অভিযোগের বিবরণী পাঠানো হয়। এরপর দুজনই জবাব দাখিল করেন। কিন্তু তা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক হয়নি। পরে অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় তাঁদের। এ ঘটনায় বন্দরের এক পর্ষদ সদস্যকে আহ্বায়ক করে এক সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানতে চাইলে বন্দরের সচিব ওমর ফারুক প্রথম আলোকে জানান, ক্রয়সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলা ছিল। সেটি নিষ্পত্তি হওয়ায় মামলার আলোকে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি দেয় দুদক। বন্দর কর্তৃপক্ষ তদন্ত শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন