বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযুক্ত খান মোহাম্মদ ইনামুল হাসান যশোরে সিআইডি অফিসে কর্মরত।

আরজি সূত্রে জানা গেছে, যশোর শহরের খোলাডাঙ্গা সারগুদামের পাশে ফিউচার আউটসোর্সিং প্রাইভেট লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়। শরিফুল ইসলাম ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। সিআইডির এএসআই খান মোহাম্মদ ইনামুল গত ২৬ সেপ্টেম্বর ওই অফিসে গিয়ে প্রতিষ্ঠানকে ভুয়া বলে কর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। এরপর প্রতিষ্ঠানের পরিচালক শরিফুলের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন তিনি। চাঁদার টাকা না দিলে অফিস সিলগালা ও পরিচালককে ‘ক্রসফায়ারে’ দেওয়ার হুমকি দেন। পরদিন ভয়ে শরিফুল তাঁর মুঠোফোনের বিকাশ নম্বর থেকে সিআইডির ওই কর্মকর্তার বিকাশ নম্বরে আড়াই হাজার ও ২৯ সেপ্টেম্বর আরও আড়াই হাজার টাকা পাঠান। বাকি ৪৫ হাজার টাকার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইনামুল সময় বেঁধে দেন। চাঁদার বাকি টাকা না দেওয়ায় মুঠোফোনে হুমকি দেওয়ায় শরিফুল আদালতে মামলা করেন।

জানতে চাইলে এএসআই খান মোহাম্মদ ইনামুল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি শরিফুলকে চিনি না। বিকাশে কোনো টাকাও পাইনি। আমাকে কেন আসামি করা হলো সেটাও জানি না।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাদীপক্ষের আইনজীবী রুহিন বালুজ বলেন, আদালত চাঁদাবাজির অভিযোগের মামলাটি গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন