default-image

ঝালকাঠিতে চাঁদাবাজি ও হত্যাচেষ্টা মামলায় পৌর কাউন্সিলর হুমায়ুন কবীর খান ও শাহ আলম খান ওরফে ফারসুসহ ছয়জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রোববার দুপুরে ঝালকাঠির সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন চেয়ে তাঁরা আত্মসমর্পণ করেন। পরে আদালতের বিচারক এ এইচ এম ইমরানুর রহমান তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

হুমায়ুন কবীর খান ও শাহ আলম খান সম্পর্কে আপন দুই ভাই। তাঁরা ঝালকাঠি পৌরসভার ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর।

বিজ্ঞাপন

মামলার বিবরণ ও আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ঝালকাঠি শহরের পালবাড়ি এলাকার ব্যবসায়ী দুই ভাই ইদ্রিস শরীফ ও ইলিয়াস শরীফকে কুপিয়ে আহত করেন কাউন্সিলর হুমায়ুন কবীর খান, কাউন্সিলর শাহ আলম খান, কিফায়েত নগর এলাকার বাসিন্দা খবির ব্যাপারী, রিয়াজ মৃধা, খলিল তালুকদার ও হাসিবুল হাসান। একই দিন সদর উপজেলার কৃত্তিপাশা এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে ঠিকাদার নাঈম আহম্মেদের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং তাঁকে মারধর করেন তাঁরা। এ ঘটনায় ইদ্রিস শরীফ ও নাঈম আহম্মেদ ঝালকাঠি সদর থানায় হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজির আলাদা দুটি মামলা করেন। মামলার পর থেকে আসামিরা প্রায় ১০ মাস পলাতক ছিলেন। রোববার আসামিরা জামিনের জন্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

মন্তব্য পড়ুন 0