বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মমিনুল হক প্রথম আলোকে বলেন, শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জেই নয়, দেশের জেলা সদর হাসপাতালগুলোতেও এর আগে কোথাও এ ধরনের অস্ত্রোপচার হয়নি বলেই তাঁরা জানেন। এ কারণেই জেলা হাসপাতালের জন্য আজ (বৃহস্পতিবার) একটি ঐতিহাসিক দিন।

মমিনুল হক বলেন, ঊরুসন্ধি প্রতিস্থাপনের অস্ত্রোপচারটি জটিল ও কঠিন। দক্ষ সার্জনের অভাবের কারণে জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে এ ধরনের অস্ত্রোপচার করা হয় না। সাধারণত মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা ও দেশের বাইরে উন্নত হাসপাতালগুলোতে এ ধরনের অস্ত্রোপচার হয়ে থাকে। এটা ব্যয়বহুলও।

অস্ত্রোপচার হওয়া নারীর নাম আশা রানী (৪৫)। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের হুজরাপুর মহল্লার বাসিন্দা। প্রায় ১৫ বছর ধরে তিনি হাঁটতে পারছিলেন না। আশা রানীর মেয়ে সুমি রানী (২৫) বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি, মা ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না। আমরা গরিব মানুষ বলে অনেক টাকা খরচ করে অপারেশন (অস্ত্রোপচার) করাতে পারছিলাম না। ইসমাইল ডাক্তার সমস্যার কথা শুনে অপারেশন করে দিলেন।’

অস্ত্রোপচারে নেতৃত্ব দেওয়া চিকিৎসক মো. ইসমাইল প্রথম আলোকে বলেন, অবেদনবিদ শওকত মোল্লা, চিকিৎসক মশিউর রহমান, নার্স মৌসুমি ইমাম, ফেরদৌসী খাতুন ও নাসিমা খাতুনের সহযোগিতা নিয়ে অস্ত্রোপচারটি করা হয়েছে। ঊরুসন্ধির বলটি ক্ষয়ে গেলে পা ভাজ হয় না, মানুষ হাঁটতেও পারে না। এখন থেকে এ হাসপাতালে এ ধরনের অস্ত্রোপচারের সুযোগ মানুষ বিনা মূল্যে পাবেন। রোগীকে হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় এন্টিবায়োটিকসহ অন্যান্য ওষুধও দেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন