শহরের নতুন বাবুপাড়া থেকে আসা ক্রেতা মামুন হোসেন বলেন, করোনার কারণে গত দুই বছর ঈদ উপলক্ষে সেভাবে কেনাকাটা করতে পারেননি। এবার আগেভাগে কেনাকাটা করে নিচ্ছেন। চলতি সপ্তাহেই সব কেনাকাটা শেষ করে ফেলতে চান। কারণ, শেষ দিকে আরও ভিড় হয়।

নিউ ক্লথ সুপার মার্কেটের সাজু ক্লথ স্টোরের মালিক মো. সাজু বলেন, এ বছর ঈদের বাজারে দেশি সুতি থ্রি-পিসের সঙ্গে ইন্ডিয়ান অরগেনজা, মেঘা, চন্দ্রিয়া, জয়পুরি এবং পাকিস্তানি সারারা-গারারা বেশি বিক্রি হচ্ছে। থ্রি-পিসে মেয়েদের পছন্দের তালিকায় আরও রয়েছে কাঁচা বাদাম, কাতান, কারচুপি, বালাহার, মটকার থ্রি-পিস।

বাগদাদ ক্লথ স্টোরের সামদানি বলেন, গত বছরের তুলনায় দাম কিছুটা বেশি। তবে তাঁরা অল্প লাভেই পোশাক দিয়ে দিচ্ছেন। ক্রেতাদের ফিরিয়ে দিচ্ছেন না।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাজারে বাহারি সব শাড়ির মধ্যে বেশি বিক্রি হচ্ছে খাড্ডি বেনারসি, চেন্নাই সিল্ক, নতুন কাঞ্জিভরম, ক্রেপ সিল্ক, মন্দানি ও মহারাষ্ট্র। এ ছাড়া লেহেঙ্গার চাহিদা বেড়েছে বেশ।

সৈয়দপুর নিউ ক্লথ সুপার মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, মেয়েদের পোশাকের দোকানে ভিড় অনেক বেশি। গরমকাল থাকার কারণে দেশি সুতি থ্রি-পিস কিনছেন অনেকে। এ বছর দেশি সুতি থ্রি-পিসগুলো বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজারের মধ্যে। অন্যদিকে বিদেশি থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকায়। ৯০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে ছোটদের লেহেঙ্গা।

ছেলেদের কাপড়ের মধ্যে চাহিদার শীর্ষে পাঞ্জাবি। এ ছাড়া জিনস প্যান্ট, গ্যাবার্ডিন প্যান্টের পাশাপাশি শার্ট রয়েছে পছন্দের তালিকায়। জিনস প্যান্ট ৬০০ থেকে ২ হাজার এবং টি-শার্টের দাম ৪০০ টাকা থেকে শুরু।

থ্যাংকস ক্লোথ স্টোরের একরামুল হক বলেন, ক্রেতাদের চাহিদা অনুসারে দেশি-বিদেশি দুই ধরনের পোশাকই বিক্রি করছেন। এবার ৮০০ থেকে শুরু করে ৬ হাজার টাকার শাড়ি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ঈদের কেনাকাটার জন্য যানজট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন। সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত খান জানান, ঈদ সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন বিপণিবিতান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ সব সময় টহল দিচ্ছে। যানজট নিরসনেও বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করছে পুলিশ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন