বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মানস মণ্ডল জানান, হাসপাতালে রোগী কমতে শুরু করেছে। আজ রোগী রয়েছেন ২৪০ জন। গতকাল রোববার রোগী ছিলেন ২৬২ জন। গত ১৮ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত হাসপাতালে প্রতিদিন ভর্তির রোগীর সংখ্যা ছিল ২৬৫-২৮৫। ঈদ সামনে রেখে রোগীদের অনেকে চিকিৎসা শেষ না করে নিজ দায়িত্বে ছুটি নিয়ে চলে যাচ্ছেন। ফলে ভর্তি রোগীর সংখ্যা কমেছে। তবে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু কমেছে না। ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে সাতজনের ও করোনা পজিটিভ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে একজনের। চলতি মাসের ১৯ দিনে করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৫ ও করোনায় ৮। ১-৩০ জুন পর্যন্ত উপসর্গ নিয়ে ১২২ ও করোনায় ২৮ জন মারা যান। এ পর্যন্ত জেলায় উপসর্গ নিয়ে ৪৭৫ ও করোনায় ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন দপ্তরের চিকিৎসা কর্মকর্তা জয়ন্ত সরকার জানান, রোববার সকাল আটটা থেকে সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্ত হয়েছেন ৮৭ জন। জেলায় এ পর্যন্ত ১৯ হাজার ৬৯১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ১৩ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৬৭৮ জন। আজ সরকারি–বেসরকারি হাসপাতালে ২৮ জন করোনা পজিটিভ রোগীসহ ৩১৫ জন ভর্তি আছেন। এর মধ্যে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ১৮ জন করোনা রোগীসহ ২৪০ জন। বর্তমানে জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৫৩। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ২৮ জন। অন্যরা বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

করোনা ডেডিকেটেড সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক কুদরত-ই-খোদা জানান, ঈদ সামনে রেখে অনেকে রোগী বাড়িতে চলে যাচ্ছেন। ফলে রোগী কিছুটা কমেছে। তিনি শঙ্কিত ঈদের পর কী হবে তা নিয়ে। জেলার গরুর হাটসহ বিপণিগুলোতে মানুষ কোনো ধরনের সামাজিক দূরত্ব মানছে না। জেলা প্রশাসককে তিনি বিষয়টি অবহিত করেছেন। প্রতিদিন ৭-৮ জন হাসপাতালে মারা যাচ্ছেন। নতুন করে মানুষ সংক্রমিত হয়ে ওই ঢেউ সামাল দেওয়া কঠিন হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন