default-image

নোয়াখালীর সেনবাগে ছায়েরা খাতুন ওরফে রেখা (৩৫) নামের এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বেলা দেড়টার দিকে থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শ্বশুর আবদুল মান্নান ওরফে মনা পলাতক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় যুগ আগে কুয়েতপ্রবাসী মো. বাবুলের সঙ্গে ছায়েরার বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে বিবি আমেনা (১৬), সাইফুল ইসলাম (১৪) ও জাফর ইসলাম (১১) নামের তিন সন্তান রয়েছে। ছায়েরা খাতুন সন্তানদের নিয়ে শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে থাকলেও পারিবারিক বিষয়ে প্রায়ই শ্বশুরের সঙ্গে ঝগড়াঝাঁটি হতো।

বিজ্ঞাপন

রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকেও শ্বশুরের সঙ্গে ছায়েরার ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে ছায়েরার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসেন। এ সময় তাঁরা আবদুল মান্নানকে ঘর থেকে দ্রুত পালিয়ে যেতে দেখেন। পরে বসতঘরে ছায়েরা খাতুনের রক্তাক্ত লাশ যাওয়া যায়। খবর পেয়ে বেলা দেড়টার দিকে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বাতেন মৃধা প্রথম আলোকে বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে শ্বশুর আবদুল মান্নানের সঙ্গে পুত্রবধূ ছায়েরা খাতুনের ঝগড়া হয়। যার জের ধরে আবদুল মান্নান ছায়েরা খাতুনের শরীরে ছোরা দিয়ে কয়েকটি আঘাত করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে বেলা দেড়টার দিকে থানার পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

ওসি আবদুল বাতেন আরও বলেন, ঘটনার পর থেকে শ্বশুর আবদুল মান্নান পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। ঘটনার বিষয়ে পরিবারের অভিযোগের আলোকে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন